অন্তরের সাথে মুখের কথা ও কাজে গরমিল হওয়াকেই মুনাফিকি বলা হয়। মুনাফিক দুই ধরনের হয়ে থাকে :
১. আক্বীদা-বিশ্বাসে
মুখে এবং বাহ্যিক আচরণে মুসলমান সেজে অন্তরে কুফরি আকিদা পোষণকারী হচ্ছে আকিদাগত মুনাফিক। এ ধরনের মুনাফিক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে ছিল এবং বর্তমানেও আছে। এ ধরনের মুনাফিক কাফিরের চেয়েও বেশি মারাত্মক। জাহান্নামে এদের শাস্তিই সবচেয়ে বেশি হবে। কুরআনের এদের আলোচনাই করা হয়েছে।
২. কাজেকর্মে-কথাবার্তায়
দ্বিতীয় প্রকারের মুনাফিক যারা মিথ্যা কথা বলে, ওয়াদা খেলাফ করে, আমানতে খিয়ানত করে ও ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা বলে। এরা কর্মের বিচারে মুনাফিক। যাদের উপরোক্ত চারটি বদঅভ্যাস এর যেকোনো একটাও আছে, তার মাঝে মুনাফিকের আলামত আছে।
وقال السعدي: اعلم أن النفاق هو: إظهار الخير وإبطان الشر، ويدخل في هذا التعريف النفاق الاعتقادي، والنفاق العملي، كالذي ذكر النبي صلى الله عليه وسلم في قوله: “آية المنافق ثلات: إذا حدث كذب، وإذا وعد أخلف، وإذا اؤتمن خان”. وفي رواية: “وإذا خاصم فجر “. وأما النفاق الاعتقادي المخرج عن دائرة الإسلام، فهو الذي وصف الله به المنافقين في هذه السورة وغيرها
তাফসিরে সাআদি, আব্দুর রহমান আন নাসির আস-সাআদি: ৩১