প্রখমেই একটা বিষয় আমাদের বুঝতে যে, আমরা শুধু ইসরাইলি পণ্য বয়কট করব না; বরং আমাদের উচিৎ যায়োনবাদীদের পণ্য বয়কট করা। এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে, যায়োনবাদী এবং ইসরাইলি পণ্যের মাঝে পার্থক্য কী?
ইসরাইলি পণ্য মানে এমন পণ্য যা ইসরাইলে উৎপাদিত হয়েছে অথবা যে কোম্পানির মালিক ইসরাইল। অন্যদিকে যায়োনবাদীদের পণ্য বলতে বুঝায় যে কোম্পানিগুলো মুসলিমদের পুণ্যভূমি ফিলিস্তিনে বর্বর হিংস্র ইয়াহুদি রাস্ট্র ইসরাইলকে সহায়তা ও সমর্থন প্রদান করে। কোম্পানির মালিকানা বা রেজিস্ট্রেশন যে কোনো দেশে হতে পারে।
যেমন, কোকা কোলা অ্যামেরিকান কোম্পানি । তাদের প্রধান অফিসও অ্যামেরিকাতে। তাদের সুচনা যায়োনবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রায় ছয় দশক আগে। কিন্তু কোকা কোলা বয়কটযোগ্য পণ্য। কারণ তারা যায়োনবাদকে সহায়তা করে। আশাকরি বিষয়টা ক্লিয়ার হয়েছে।
দ্বিতীয় যে বিষয়টি বুঝা দরকার তা হলো, আমরা যে বয়কট আন্দোলন করছি, তার যে কার্যকারি কৌশল ইতিহাসে বারবার প্রমাণিত— তা হল “টার্গেটেড বয়কট”।
আমরা যদি বয়কট আন্দোলনে সর্বোচ্চ সফলতা চাই তাহলে আমাদের অল্পসংখ্যক কিছু কোম্পানি এবং প্রোডাক্টের ওপর খুব হিসেব করে ফোকাস করতে হবে। বেশিসংখ্যক প্রোডাক্টের ওপর ফোকাস করলে ফোকাস এবিলিটি নষ্ট হবে।
মনে রাখবেন, টার্গেটেড বয়কটের উদ্দেশ্য হল “অল্প কিছু হাতেগোণা কোম্পানি ও পণ্যের ওপর স্ট্র্যাটিজিকভাবে ফোকাস করা”। তাই তালিকা ছোট থাকছে। তবে অবশ্যই ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা যতো বেশি এমন পণ্য বয়কট করতে পারবো ততো ভালো হবে ইন শা আল্লাহ্।
বয়কটযোগ্য কোম্পানির ও পণ্যের তালিকা:
- কোকাকোলা
- পিৎযা হাট
- ডোমিনোস পিৎযা
- বার্গার কিং
- এ এন্ড ডাব্লিউ
- সিমেন্স
- পেপসিকো
- ইউনিলিভার
- নেসলে
এগুলোর বেশির ভাগ কোম্পানির নাম, পণ্যের নাম না। এক কোম্পানির অধীনে অনেকগুলো প্রোডাক্ট আসবে। যেমন কোকাকোলা কোম্পানি বয়কট করার অর্থ কোকাকোলা, স্প্রাইট, ফান্টা, মাউন্টেন ডিউ, কিনলে — সব বয়কট করা। এভাবে পেপসিকো, ইউনিলিভার ইত্যাদি কোম্পানি বয়কট করার অধীনে অনেক পণ্যের তালিকা হয়ে যাবে।
আল্লাহ আমাদের প্রথম কিবলা ও তার অধিবাসীদের মুক্তির পথ সহজ করুন। তাদের ওপর আক্রমণকারী ও তাতে সহযোগিতাকারী প্রতিটা যালিমকে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিন। আমীন।
صحيح البخاري ( دار ابن كثير ) 3632 : فقال ثمامة بن اثال : لا ، ولكنى أسلمت مع رسول الله – صلى الله عليه وسلم – ، ولا والله لا يأتيكم من اليمامة حبة حنطة حتى يأذن فيها رسول الله – صلى الله عليه وسلم