আসলে কবরের আযাব হওয়া না-হওয়ার সম্পর্ক আমলের সাথে; রমযানের সাথে নই। সেজন্য আমাদের উচিত আমল করতে থাকা, যেন কবরের আযাব থেকে রেহায় পেতে পারি। “আহওয়ালুল কুবূর…” গ্রন্থে (মাকতাবাতু দারুয যামান প্রকাশিত ১৮৭ পৃষ্ঠায়) রমযানে কবরের আযাব মাফ হয়ে যায় মর্মে যে হাদিস পাওয়া যায়, তা যাঈফ হওয়ার কারণে এই ক্ষেত্রে দলিল যোগ্য নই।
সাহিহ বুখারির ১৮৯৯ নাম্বারে হাদিসে ‘রমযানে জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়’ মর্মে যে কথাটা উল্লেখ আছে, তা দ্বারা অনেকে রমযানে কবরের আযাব মাফ হওয়ার ব্যাখ্যা করে থাকেন। তাদের উক্ত ব্যাখ্যা সঠিক নই। বরং হাদিসে বর্ণিত কথার প্রকৃত ব্যাখ্যা হল- রমাযান মাসে বান্দাকে অধিকহারে গুনাহের চিন্তা-চেতনা ও শয়তানের পথভ্রষ্টতা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা তার জন্য জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার উপায়।
فتح الباري شرح صحيح البخاري – دار طيبة – 4/233 : غلق أبواب النار عبارة عن صوف الهمم عن المعاصي الآيلة بأصحابها إلى النار، وتصفيد الشياطين عبارة عن تعجيزهم عن الإغواء وتزيين الشهوات