কুরবানী করা ওয়াজিব প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্কের অধিকারী মুসলিমের ওপর যারা ১০ যিলহজ্ব ফজরের সময় থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হন। নিসাব পরিমাণ মালের মালিক ঐ ব্যক্তিকে বলা হয় যিনি সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা স্বর্ণ-রূপা, টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তু মিলিয়ে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদের মালিক।
কুরবানীর নিসাবে নিজ মালিকানাধীন সমস্ত টাকা, অলঙ্কার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কারো কাছে যদি উল্লেখিত সব জিনিষ মিলিয়ে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদ থাকে, তার ওপর কুরবানী ওয়াজিব।
من له مائتا درهم، أو عشرون ديناراً ، أو شيء يبلغ ذلك سوى مسكنه ومتاعه ومركوبه، وخادمه، في حاجته التي لا يستغنى عنها ، فأما ما عدا ذلك من سائمة، أو رقيق، أو خيل، أو متاع للتجارة، أو لغيرها، فإنه يعتد به في يساره. – وفى الأجناس : إن جاء يوم الأضحى، وله مائتا درهم، أو أكثر، ولامال له غيره، فهلك ذلك لا يجب عليه الأضحية، وكذلك لونقص عن المائتين. – ولو جاء يوم الأضحى ولا مال له ثم استفاد مائتي درهم، فعليه الأضحية،وإن كان له عقار ومستغلات ملك فيه.{المحيط البرهاني, ج.8, ص. 455, ط. المجلس العلمي}