২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

আমার দ্বীন

ইসলামই পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা

সাধারণ তত্ত্বাবধায়ক

উস্তাযুল হাদিস শায়খ

মাসুম বিন আব্দুল আযিয

হাফিযাহুল্লাহ

প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্ন নং ৯৭:

বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তির কুরবানী দেশে দিলে কোন স্থানের বিবেচনা করা হবে? 

উত্তর প্রদান করেছেন:

শায়খ মাসুম বিন আব্দুল আযিয আফাল্লাহু আনহু

প্রকাশকাল: 01/06/2025

বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তির কুরবানী দেশে দিলে কোন স্থানের বিবেচনা করা হবে? 

উত্তর

যিনি কুরবানী দিচ্ছেন তিনি এক দেশে অবস্থান করছেন অপরদিকে কুরবানীর পশু ভিন্ন দেশে আছে, এই ক্ষেত্রে কুরবানীদাতার অবস্থানস্থলে ঈদের জামাত হল কি হল না, তা বিবেচ্য বিষয় নয়; বরং পশুটা যে এলাকায় কুরবানী করা হবে ওই এলাকায় ঈদের জামাত হওয়াটাই হচ্ছে বিবেচ্য বিষয়। অর্থাৎ কুরবানীর পশুর অবস্থানস্থলে ঈদের জামাত হওয়ার আগে কুরবানী করা জায়েয নেই। 

যেমন মনে করুন সৌদিতে অবস্থানরত ব্যক্তির কুরবানী করা হবে বাংলাদেশে। এই অবস্থায় বাংলাদেশে যেদিন ঈদের জামাত হবে, সেদিন কুরবানী করা যাবে। অপরদিকে বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্যক্তির কুরবানী যদি সৌদিতে হয়, তাহলে সৌদিতে যেদিন ঈদের জামাত হবে, সেদিন কুরবানী করা যাবে। এই ক্ষেত্রে যদিও বাংলাদেশে অবস্থানরত কুরবানীদাতার ঈদের জামাত হতে আরো একদিন বাাকি থাকে। 

ولو كان هو في مصر وقت الأضحية وأهله في مصر آخر، فكتب إلى الأهل وأمرهم بالتضحية في ظاهر الرواية، يعتبر مكان الأضحية. – قتاوي قاضي خان – رقم: 230 من الجزء الثالث – ط. دار الكتب العلمية

Scroll to Top